এবার রোজা ২৯টি হলে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হবে ৩১ মার্চ। আর ৩০টি হলে ঈদ হবে ১ এপ্রিল। এখন প্রশ্ন হলো, ঈদের দিন আবহাওয়া কেমন থাকবে?
চলতি মাসে এক দফা তাপপ্রবাহ হয়ে গেছে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। এরপর গত বৃহস্পতিবার থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে আকাশ মেঘলা হয়ে পড়ে। রাজধানী ঢাকায় কিছুটা বৃষ্টি হয়। বেশি বৃষ্টি হয় উত্তর-পূর্বের সিলেট এবং এর কাছাকাছি এলাকাগুলোয়। এর পর থেকে তাপমাত্রা খানিকটা কমতে শুরু করে। তবে গত সোমবার থেকে তাপমাত্রা আবার বাড়তে শুরু করেছে। বুধবার দেশের অন্তত সাত জেলায় মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে। এই তাপপ্রবাহ বৃহস্পতিবারও অব্যাহত থাকতে পারে। তাপমাত্রা বৃদ্ধির এই প্রবণতা আরও দুই দিন থাকতে পারে বলে করছেন আবহাওয়াবিদেরা।
ঈদ ৩১ মার্চ বা ১ এপ্রিল, যেদিনই হোক না কেন, এখন যেভাবে তাপমাত্রা বেড়ে চলছে, তা সেই সময়েও অব্যাহত থাকতে পারে, এমনটাই মন্তব্য করেন আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক। তিনি বলেন, ৩১ মার্চ বা ১ এপ্রিল তাপমাত্রা এখনকার চেয়ে বেশি থাকতে পারে। তার মানে অবশ্য এই নয় যে ওই সময় তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাবে।
আবহাওয়াবিদেরা বলছেন, এলাকাভেদে তাপমাত্রার হেরফের হতে পারে। তবে ঈদের দিন তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হওয়ার সম্ভাবনা কম। এর ব্যতিক্রমও হতে পারে। এই ব্যতিক্রম হওয়ার কারণ পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের যেসব অঞ্চল থেকে বায়ুপ্রবাহ বাংলাদেশে প্রবেশ করে, সেখানকার তপ্ত হাওয়া। এর হেরফেরে তাপমাত্রা এখন যে ধারণা করা হচ্ছে, তার চেয়ে বেশি হতে পারে।
কোনো এলাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে সেখানে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে বলে গণ্য করা হয়। তবে এই তাপমাত্রা অন্তত দুই দিন একনাগাড়ে থাকতে হয়, তাহলেই তাপপ্রবাহ বলা হয়।
ঈদের দিন (৩১ মার্চ অথবা ১ এপ্রিল) দেশের দক্ষিণ-পূর্বের চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক স্থানে সামান্য বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। সেন্ট মার্টিন ও কক্সবাজারের কিছু স্থানে এই বৃষ্টি হতে পারে। তবে সব মিলিয়ে দেশের আকাশ পরিষ্কার থাকবে। তাপমাত্রাও খুব অসহনীয় হয়ে উঠবে বলে মনে হয় না।