‘শরীফ থেকে শরীফা’ গল্প পর্যালোচনায় কমিটি গঠন


সংবাদ প্রকাশ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৪, ২০২৪, ০৪:৪৪ পিএম
‘শরীফ থেকে শরীফা’ গল্প পর্যালোচনায় কমিটি গঠন
শরীফার গল্পের অংশবিশেষ। ফাইল ফটো

নানা আলোচনা-সমালোচনার মাঝে সপ্তম শ্রেণির ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান বইয়ে ‘মানুষে মানুষে সাদৃশ্য ও ভিন্নতা’ অধ্যায়ে শরীফ থেকে শরীফা হওয়ার গল্প পর্যালোচনায় পাঁচ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বুধবার (২৪ জানুয়ারি) গণমাধ্যমকে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের।

আবুল খায়ের জানান, পাঁচ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ এ কমিটি জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডকে (এনসিটিবি) গল্পটি পর্যালোচনায় সার্বিক সহায়তা করবে।

কমিটিতে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুর রশীদকে আহ্বায়ক করা হয়েছে।

এছাড়া সদস্য হিসেবে রয়েছেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের গভর্নর মুফতি মাওলানা কফিল উদ্দীন সরকার, এনসিটিবির শিক্ষাক্রম ইউনিটের সদস্য অধ্যাপক মো. মশিউজ্জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হালিম এবং ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুর রশিদ।

এদিকে বিষয়টি নিয়ে মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। তিনি বলেন, “পাঠ্যবইয়ে হিজড়া জনগোষ্ঠী সম্পর্কে জনসচেতনতামূলক পাঠ অংশের উপস্থাপনায় কোনো বিতর্ক বা বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়ে থাকলে এবং বিশেষজ্ঞরা মনে করলে কিছুটা পরিবর্তন আনা যেতে পারে।”

বইয়ে শব্দটি ট্রান্সজেন্ডার নয়, থার্ড জেন্ডার আছে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, “সেটি আইনত স্বীকৃত, যারা জৈবিক (বায়োলজিক্যাল) কারণে তৃতীয় লিঙ্গ বা সামগ্রিকভাবে সমাজে হিজড়া নামে পরিচিত। তারা এ দেশের নাগরিক। অবশ্যই তাদের নাগরিক সুবিধা আছে।”

Link copied!