• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ০১ এপ্রিল, ২০২৫, ১৭ চৈত্র ১৪৩০, ১ শাওয়াল ১৪৪৬

মালচিং পদ্ধতিতে সবজি চাষে কৃষক দম্পতির ভাগ্য পরিবর্তন


পাবনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৫, ০৬:৪৩ পিএম
মালচিং পদ্ধতিতে সবজি চাষে কৃষক দম্পতির ভাগ্য পরিবর্তন

সম্পূর্ণ নতুন করে পরিবেশ বান্ধব মালচিং পদ্ধতিতে শসা, টমেটো, কোয়াশসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি আবাদ করে ভাগ্য পরিবর্তন করেছেন পাবনার কৃষক ইছাহাক আলী ও মাবিয়া দম্পতি। তাদের কৃষি কাজে সবজি চাষে লাভবান হওয়ায় জেলার বিভিন্ন উপজেলার কৃষকেরা দিনদিন উৎসাহিত হচ্ছেন। ফলে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই মালচিং পদ্ধতি।

জানা যায়, পাবনা সদর, ঈশ্বরদী, চাটমোহর ও আটঘরিয়া উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে এই মালচিং পেপার পদ্ধতিতে সবজি আবাদ করা হচ্ছে। বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার সহযোগিতা ও চাষিদের নিজ উদ্দোগে এই পদ্ধতিতে আবাদ করছেন। এই পদ্ধতিতে আবাদ করলে সার ও সেচ খরচ কম লাগে।

ঈশ্বরদী উপজেলার দাশুড়িয়া গ্রামের কৃষক ইসাহাক আলী ও মাবিয়া দম্পতি মালচিং পেপার পদ্ধতি ব্যবহার করে টমেটো চাষ করে এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন। তিনি ১০ কাঠা জমিতে ১৪ হাজার টাকা খরচ করে টমেটো আবাদ করেছেন। ফলনও বেশ ভালো হয়েছে। স্বল্প সময়ের ৩ মাসের ফসলে তাতে খরচ বাদে তিনি ৫০ হাজার টাকা লাভ করতে পারবেন বলে আশাবাদ এই কৃষক দম্পতির।

আগামীতে তিনি আরও বেশি জমিতে এই মালচিং পদ্ধতিতে টমেটো আবাদ করবেন। তার লাভ দেখে অনেকেই এই পদ্ধতিতে সবজি আবাদ করছেন। কৃষক ইসাহাক আলী বলেন, “এই পদ্ধতিতে খরচ একেবারেই কম। ফসলও নষ্ট হয় না। ফলনও ভালো।”

কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল মজিদ সম্রাট বলেন, “এই মালচিং পদ্ধতি ব্যবহার করে বিশ্বের উন্নত দেশ চীন, জাপান, মালয়েশিয়ায় আবাদ করা হয়। বাংলাদেশে তারা কৃষককে এই পদ্ধতি ব্যবহার করে আবাদ করার জন্য উৎসাহিত করছেন। এই পদ্ধতিতে আবাদে খরচ কম, আবাদি জমিতে আগাছা কম হয়, সেচ কম লাগে, মাটির আদ্রতা ধরে রাখে, গাছ ও মাটির দরকারি অনুজীবের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে। স্বল্প খরচে কৃষকও লাভবান হয়।”

Link copied!